সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জুলাই, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মাহফুজের সম্পর্ক। পর্ব ৭

মাহফুজের সম্পর্ক পর্ব ৭ ক সাবরিনার সাথে অফিসের ঘটনার পর প্রায় দুই সাপ্তাহ কেটে গেছে এর মাঝে। সাবরিনা বা মাহফুজ কেউ তাদের ভিতরের প্রশ্ন, দ্বন্দ্ব থেকে বের হতে পারে নি। সাবরিনার জন্য এ ধরনের দ্বন্দ্ব নতুন। সারাজীবন যে কাজগুলোকে নিন্দা করে এসেছে এমন কোন কিছুর হাতছানি সাবরিনার জন্য বিপদজনক। যদিও সাবরিনা জানে আইনত সে কোন নিয়ম এখনো ভাংগে নি, সমাজের চোখ রাংগানির মত কোন দাগও এখনো অতিক্রম করে নি। তবে এটাও সাবরিনা জানে নিজের মনের ভিতর কিছু সীমা অতিক্রম করে ফেলেছে সে। যে কোন ভুল সংশোধনের প্রথম উপায় হল ভুল স্বীকার করা। এক্ষেত্রে সমস্যা দুইটা। প্রথম, কার কাছে ভুল স্বীকার করবে? সাদমানের কাছে? কি বলবে? আমি তোমাকে বাদে অন্য একজন কে ভেবে মাস্টারবেশন করেছি? সাদমান এটা কীভাবে নিবে? আসলেই কি এইসব বলা যায়? সামান্য একটা চিন্তা আর তার শারীরিক প্রতিক্রিয়া কে কি এত গুরুত্ব দেওয়া উচিত? দ্বিতীয়ত, সাবরিনার ব্যক্তিত্বের একটা  বড় দিক হচ্ছে ভুল মুক্ত থাকা, পারফেক্ট থাকা। এই ভুল স্বীকার করা মানে নিজে কে অন্তত এই ক্ষেত্রে দেওয়া পারফেকশনে একটা দাগ দেওয়া। সাদমান কে না বলে নিজের কাছে নিজেই স্বীকার করা যায় ভুল টা তব...

মাহফুজের সম্পর্ক। পর্ব ৬

মাহফুজের সম্পর্ক  পর্ব ৬ ক গত রাতের পর থেকে সাবরিনার মনে ঝড় চলছে। সকালে ঘুম থেকে উঠার পর প্রথমে ফ্রেশ লাগছিল অনেকদিন পর। মনে হচ্ছিল শরীরের সব জড়তা বুঝি এক রাতের ঘুমেই কেটে গেছে। মন প্রাণ সব কিছুতেই একটা ফুরফুরে ভাব। তবে এই ফুরফুরে ভাবটা বেশিক্ষণ রইলো না। আজকে সকালে সাদমানের ঢাকার বাইরে যাবার কথা। ভোরেই বের হয়েছে। সাবরিনা ঘুমে দেখে হয়ত ডাকে নি। তাই ঘুম থেকে ফ্রেশ হয়ে নাস্তার টেবিলে বসে মোবাইল স্ক্রল করতে করতে সাদমানের ফোন এল। ফ্লাইট ছাড়বে একটু পর। তার আগে কল দিয়েছে। সাবরিনা জিজ্ঞেস করল কখন বের হয়েছে। সাদমান উত্তর দিলে সকাল ছয়টার আগেই। সাবরিনা বলল জাগাও নি কেন? সাদমান বলল এত সুন্দর করে ঘুমিয়ে ছিলে দেখে আর জাগাতে ইচ্ছা করে নি। উত্তর শুনে সাবরিনা একটু থমকে গেল। এই সময় ফোনে সাদমানের ফ্লাইটের যাত্রীদের বোর্ডিঙ্গের ডাক শোনা গেল। সাদমান বলল এখন ফোন রাখি। প্লেন থেকে নামলে কল দিব। ফোন কাটার আগে শুধু বলল আই লাভ ইউ। সাদমানের আই লাভ ইউ শুনে সাবরিনার হঠাত করে সব কিছু যেন উলটে গেল। সাদমান বড় বেশি গতানুগতিক। দূরে কোথাও গেলে ফোন দিবে অথবা টেক্সট করবে সময় করে। সাদমানের গলায় আবেগ থাকে না বড় বেশি। স...

মাহফুজের সম্পর্ক। পর্ব ৫

মাহফুজের সম্পর্ক  পর্ব ৫ এই দুইদিন ধরে সাবরিনার সাথে ফিল্ড ভিজিট করছে মাহফুজ। সকাল নয়টা থেকে সাড়ে নয়টার মধ্যে ওরা দেখা করে টিএসসির সামনে, এরপর সাবরিনার অফিসের গাড়িতে করে বিভিন্ন গন্তব্যে ঘুরে ঘুরে দেখে। দোকানদার, ডিলারের সাথে কথা বলে। এই কয়দিনে একটা জিনিসে নিশ্চিত মাহফুজ, সাবরিরান সংগ যেন ইনটক্সিকেটিং, নেশা ধরায়। সুন্দরী মেয়ে কম দেখে নি মাহফুজ। প্রেমের প্রস্তাবও কম পায় নি। অনেক সুন্দরীর শয্যা সংগীও হয়েছে এক সময়। তবে সিনথিয়ার মত ওর মাথায় এত প্রভাব কেউ ফেলতে পারে নি। এখন মনে হচ্ছে সাবরিনাও যেন ধীরে  ধীরে মাথার ভিতর আসন গেড়ে নিচ্ছে। দুই বোন অনেক আলাদা আবার অনেকটা একরকম। সিনথিয়া আর সাবরিনা দুই জনেই সুন্দরী। সিনথিয়া যেখানে হাসিখুশি বাবলি পার্সনালিটি, সাবরিনা সেখানে অনেকটাই গম্ভীর। সিনথিয়া হাসে প্রচুর আর সাবরিনা হাসে কদাচিত। হাসলে দুই বোনের চোখ জ্বলে উঠে। লম্বায় সিনথিয়ার থেকে বেশ কয়েক ইঞ্চি খাট সাবরিনা। পাচ দুই বা তিন হবে। লম্বা হবার কারণে সিনথিয়ার শরীরে যেখানে হালকা মনে হয় সাবরিনার শরীর সেখানে কিছুটা ভারী মনে হয়। সাবরিনার মরাল গ্রীবা, বড় চোখ  প্রথমেই চোখে পড়ে। এরচেয়ে বেশি চোখ...